সৃজনশীল-১:
মির্জা জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর ছিলেন ভারতের মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। তার মৃত্যুর পর বড় ছেলে হুমায়ুন বাসে সিংহাসনে আরোহণ করেন। দুঃখের বিষয় এই যে, সিংহাসনে আরোহণের পরই নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তথাপি সাহসিকতার সাথে তরুণ হুমায়ুন তাঁর শাসনকার্য চালিয়ে যান। হুমায়ুন তাঁর অন্যান্য ভাইসহ আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে অসহযোগিতা পাওয়া সত্তে¡ও শক্ত হাতে সবকিছু ধরে রাখতে সক্ষম হন।
ক. রবার্ট ক্লাইভ কাকে সেরা বিশ্বাসঘাতক বলেছেন?
খ. “কত বড় শক্তি, তবু কত তুচ্ছ।”—উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপকের হুমায়ুনের সিংহাসনে আরোহণ এবং নবাব সিরাজউদ্দৌলার সিংহাসনে আরোহণের সাদৃশ্য তুলে ধর।
ঘ. “আংশিক সাদৃশ্য থাকলেও হুমায়ুন ও সিরাজউদ্দৌলার পরিণতি এক নয়”—বিশ্লেষণ কর
সৃজনশীল-২:
বর্গি এল খাজনা নিতে
মারল মানুষ কত।
পুড়ল শহর, পুড়ল শ্যামল
গ্রাম যে শত শত হানাদারের সঙ্গে জোরে
লড়ে মুক্তি সেনা,
তাদের কথা দেশের মানুষ কখনো ভুলবে না।”
ক. সিরাজউদ্দৌলার হত্যাকারীর নাম কী?
খ. “আমরা এমন কিছু করলাম যা ইতিহাস হবে।”— উক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর।
গ. উদ্দীপকটি ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের কোন নিকটিকে নির্দেশ করে? আলোচনা কর।
ঘ. উদ্দীপকের মুক্তিসেনা এবং সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের সিরাজউদ্দৌলা একই সূত্রে গাঁথা”—মন্তব্যটির যথার্থতা প্রমাণ কর।
সৃজনশীল-৩:
সিংহজানী পরগনার এক প্রতাপশালী জমিদারের নাম নারায়ণ রায়। প্রজাবাৎসল্য তার চরিত্রের অন্যতম দিক।। প্রজাদের সুখের জন্য তিনি দিঘি খনন, রাস্তাঘাট নির্মাণ, কলেজ, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা, খাদ্যাতার মোকাবেলায় গালা নানা রকম জনহিতকর কর্মকান্ড পরিচালনা করে জমিদারির অন্যতম সদস্য ছিলেন একমাত্র ভগ্নিপতি সদর সমাদার। তিনি তাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন এবং বিশ্বাস করতেন। এই বিশ্বাসের সুযোগে সমর সমাদার চরিতার্থে বাস্ত থাকত। তার অনেকবার ধরা পে জমিদার ঔদার্যবশত তাকে ক্ষমা করে দিতেন। এক বছর না পরিশোধের জন্য সমরকে দায়িত্ব দিলে সে সমস্ত অর্থ নিয়ে আত্মগোপন করে। সূর্যাস্ত আইনে জমিদারির পতন ঘটে।
ক. উমিচাদ কোথা থেকে বাংলাদেশে এসেছে?
খ. “আমার শেষ যুদ্ধ পলাশিতেই। ”—কেন?
গ. উদ্দীপকের সমর সমাদ্দার কীভাবে ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের মিরজাফরের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
ঘ. উদ্দীপকের প্রজাবৎসল সিংহ নারায়ণ রায় যে কারণে জমিদারি হারিয়েছেন একই কারণে সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে বাংলার স্বাধীনতা-সূর্য অস্ত যায়। — উদ্দীপকে সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের আলোকে উক্তিটি যাচাই কর।
