নাটকের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলি:
১। সিরাজউদ্দৌলা নাটকের মোট কয়টি অঙ্ক—৪টি
২। সিরাজউদ্দৌলা নাটকে মোট কয়টি দৃশ্য—১২টি
৩। এ নাটকের মোট চরিত্র—৪০টি।
৪। এটি ঐতিহাসিক নাটক।
৫। রস বিচারে নাটকটি কোন প্রকৃতির—ট্রাজেডিধর্মী।
৬। প্রথম অঙ্কের প্রথম দৃশ্যে কোন দুর্গের বর্ণনা আছে—ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ।
৭। এ নাটকে “কোম্পানি” শব্দটি দ্বারা বুঝানো হয়েছে—ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে।
৮। ‘যুদ্ধে জয়লাভ অথবা মৃত্যুবরণ, এই আমাদের প্রতিজ্ঞা।’ উক্তিটি—ক্লেটনের।
৯। “চুপ বেইমান। কাপুরুষ বাঙালির কাছে যুদ্ধ বন্ধ হবে না।” উক্তিটি ক্লেটন কাকে বলেন—ওয়ালি খানকে।
১০। ইংল্যান্ডের বীর সন্তান বলে নিজের পরিচয় দেন—ক্লেটন।
১১। নবাবের গোলন্দাজ বাহিনী কোন খাল পেরিয়ে ইংরেজ দুর্গের দিকে আসছে—শিয়ালদহের মারাঠা খাল।
১২। “ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা।” উক্তিটি—উমিচাঁদের।
১৩। যুদ্ধ করতে করতে প্রাণ দেবেন বলে প্রতিজ্ঞা করেছিল—ক্যাপ্টেন ক্লেটন।
১৪। উমিচাঁদ বলেন হলওয়েল হলো—গাইস হাসপাতালের হাতুড়ে সার্জন।
১৫। উমিচাঁদ কাকে কমান্ডার চিফ বলেন—হলওয়েলকে।
১৬। ইংরেজরা আত্মহত্যার নামে কোথায় গোপন অস্ত্র আমদানি করছিল—কাশিমবাজারে।
১৭। নবাবের নিষেধ অগ্রাহ্য করে হলওয়েল কাকে আশ্রয় দেয়—কৃষ্ণবল্লভকে।
১৮। ফোর্ট উইলিয়ামে আক্রমণ বন্ধ করতে উমিচাঁদ কার নিকট চিঠি পাঠায়—রাজা মানিক চাঁদের নিকট।
১৯। সিরাজউদ্দৌলার তাড়া খেয়ে ইংরেজরা আস্তানা গেড়েছে— ভাগীরথী নদীতে ফোর্ট ইউলিয়াম কলেজ।
২০। কোথায় ফিরে নবাব ইংরেজদের মুক্তি দেন—মুর্শিদাবাদ।
২১। “তোমার কোম্পানির সত্তর টাকা বেতনের কর্মচারী।” উক্তিটি—ড্রেকের।
২২। “Patience is the key-word, young men” উচ্চকণ্ঠে উক্তিটি করেন—ড্রেক।
২৩। ভাগীরথী নদীতে ইংরেজদের ভাসমান জাহাজ থেকে কলকাতায় দূরত্ব চল্লিশ মাইলের ভিতরে।
২৪। ইংরেজদের ভাসমান জাহাজ কোন রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়— ম্যালেরিয়া ও আমাশয়।
২৫। “আমি চিরকালই ইংরেজের বন্ধু। মৃত্যু পর্যন্ত এই বন্ধুত্ব আমি বজায় রাখব। উক্তিটি—উমিচাঁদের।
২৬। কোম্পানির প্রতিনিধির কাছে লবণ বিক্রি করেনি বলে কারা জনৈক প্রজার বাড়িঘর জালিয়ে দেয়—কোম্পানির ষÐারা।
২৭। লবণের ইজারাদার কে—কুঠিয়াল ইংরেজ।
২৮। ইংরেজরা কাকে ঘুস দিয়ে চন্দননগর ধ্বংস করেছে—বেইমান নন্দুকুমারকে।
২৯। দশ লাখ টাকা খেসারত দিয়ে নবাবের কাছ থেকে মুক্তি লাভ করেন কে—মানিকচাঁদ।
৩০। “আমাদের কারও অদৃষ্ট মেঘমুক্ত থাকবে না শেঠজি।” সংলাপটি— মিরজাফরের।
৩১। মিরনের বাসগৃহে ছদ্মবেশে প্রথম প্রবেশ করে—রায়দুর্লভ।
৩২। “চারদিকের শুধু অবিশ্বাস আর ষড়যন্ত্র।” উক্তিটি রায়দুর্লভ কাকে উদ্দেশ্য করে বলেন—মিরনকে।
৩৩। ইংরেজদের মধ্যে কে কে রমণীয় ছদ্মবেশে মিরনের বাসগৃহে প্রবেশ করেন—ওয়াটস ও ক্লাইভ।
৩৪। দলিলে সর্বশেষ স্বাক্ষর করেন—মিরজাফর।
৩৫। শওকত জঙ্গের পিতার নাম—সৈয়দ আহমদ।
৩৬। শওকত জঙ্গের মাতার নাম—শাহ বেগম।
৩৭। মিরজাফরের বিশ্বস্ত গুপ্তচর কে—উমর বেগ জমাদার।
৩৮। বদ্রি আলি খাঁর শ্বশুরের নাম—মিরমর্দান।
৩৯। এ নাটকে কোন পাখির ডাকার ঘটনার উল্লেখ আছে—অমঙ্গলস-চক পেঁচার।
৪০। মোহনলালের অনুচরদের কাছে ক্লাইভ কর্তৃক মিরজাফরকে লেখা কয়টি চিঠি ধরা পড়েছে—৩টি।
৪১। নবাবের রাজধানী ছিল—মুর্শিদাবাদে।
৪২। কোন সৈনিক ফ্রান্সের শত্রæদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল—সাঁফ্রে (ফরাসি সেনাপতি)।
৪৩। কাদেরকে “Standing like pillars” বলা হয়েছে—মিরজাফর, রাজবল্লভ এবং রায়দুর্লভকে।
৪৪। আপনার বিরাট সেনাবাহিনী চুপ করে আছে “Standing like pillars”। উক্তিটি—সাঁফ্রের।
৪৫। রাইসুল জুহালাকে বুটের লাথি মারে—রাজা রামকান্ত রায়।
৪৬। নাটোরের মহারানি ভবানীর স্বামীর নাম—রাজা রামকান্ত রায়।
৪৭। ‘রাজবল্লভ’ কোন গোত্রের—ব্রাহ্মণ।
৪৮। ‘রায়দুর্লভ’ কোন গোত্রের—কায়স্থ।
৪৯। ‘মহাতার শেঠ’ কোন ধর্মের অনুসারী—জৈন।
৫০। ‘উমিচাঁদ’ কোন ধর্মের অনুসারী—শিখ।
৫১। খ্রিষ্টান ওয়াটস কোন জাতের—ফিরিঙ্গি।
৫২। পলাশীর যুদ্ধে নবাবের সৈন্য ছিল—৫০ হাজারের বেশি।
৫৩। পলাশীর যুদ্ধে নবাবের পক্ষে কামান ছিল—৫০টির বেশি।
৫৪। পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজদের কামান ছিল—গোটা দশেক।
৫৫। যুদ্ধে নবাব পরাজিত হলে উমিচাঁদকে দেওয়ার কথা ছিল—২০ লক্ষ টাকা।
৫৬। মিরজাফরকে সহায়তায় ক্লাইভ পায়—বার্ষিক ৪ লক্ষ টাকা।
৫৭। পলাতক নবাব সিরাজ মিরকাসেমের সৈন্যদের হাতে বন্দি হন—ভগবানগোলায়।
৫৮। নবাবের মুখের শেষ বাক্যটি—‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’।
