বনলতা সেন কবিতার সারমর্ম / মূলভাব

কবিতার সারমর্ম / মূলভাব

“বনলতা সেন” কবিতায় জীবনানন্দ দাশ একটি ক্লান্ত নাবিকের হাজার বছরের দীর্ঘ যাত্রা এবং তার একমাত্র শান্তির সন্ধানকে ফুটিয়ে তুলেছেন। কবিতার নাবিক পৃথিবীর অজস্র দেশ, সমুদ্র ও শহর পার হয়ে চরম ক্লান্তিতে ভুগছে। তার অন্তরের অস্থিরতা, ভ্রমণ ও দুঃখের পরিপ্রেক্ষিতে বনলতা সেন নামের এক নারী তার জন্য শান্তি ও আশ্রয়ের প্রতীক হয়ে উপস্থিত হয়। বনলতা সেনের চোখ, চুল ও সৌন্দর্য নাবিকের জন্য মানসিক প্রশান্তি, যা তার দুঃসাহসিক ভ্রমণকে পরিশ্রান্ত করে, মানসিক শিথিলতা দেয়। কবিতায় নাবিকের দীর্ঘ ক্লান্তি, প্রাকৃতিক দৃশ্যের রূপক, নদী ও সমুদ্রের প্রতীকীতা, শিশির, জোনাকি এবং সন্ধ্যার আলোকচিত্রের মাধ্যমে মানব জীবন ও প্রকৃতির সৌন্দর্য একত্রিত হয়েছে। বনলতা সেন এখানে শুধুমাত্র প্রেমের প্রতীক নয়, বরং শান্তি, স্থিতিশীলতা ও মানসিক পুনর্জীবনের প্রতীক। কবিতার শেষে যখন রাত নামছে, সমস্ত জীবনের লেনদেন শেষ হচ্ছে, তখনও বনলতা সেন নাবিকের পাশে দাঁড়িয়ে তার একমাত্র শান্তি হয়ে থেকে যায়।

মূলত, কবিতায় প্রকাশ পায় –

  • দীর্ঘ ক্লান্ত যাত্রার পর শান্তির সন্ধান
  • নাবিক ও বনলতা সেনের মাধ্যমে মানব মন ও প্রেমের মিলন
  • প্রকৃতি ও মানব জীবনের অন্তর্দৃষ্টি
  • প্রেম, সৌন্দর্য ও শিথিলতার চিরন্তন সম্পর্ক



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *